স্টাফ রিপোর্টার সাদি
ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টেইনের অপরাধের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ ও বিতর্কিত। ২০০৮ সালে ফ্লোরিডার পাম বিচে নিজের বাড়িতে এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রথম তদন্ত শুরু হয়। সে সময় প্রভাব খাটিয়ে প্রসিকিউটরদের সাথে একটি আপিল চুক্তির মাধ্যমে বড় সাজা থেকে বেঁচে গেলেও তাকে যৌন অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
তবে ১১ বছর পর পুনরায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের দিয়ে যৌন ব্যবসার নেটওয়ার্ক চালানোর অভিযোগে তিনি গ্রেফতার হন। বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে কারাগারে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়, যাকে পরবর্তীতে আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। এই দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য এবং এপস্টাইনের বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র ও ইমেইল সংগ্রহ করা হয়, যা এখন ‘এপস্টেইন ফাইলস’ নামে পরিচিত।
এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নথিপত্র বা ‘এপস্টেইন ফাইলস’ বর্তমানে মার্কিন রাজনীতিতে এক বিশাল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রে মানি-লন্ডারিং ও যৌন অপরাধে জড়িত জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি এটি।
শুক্রবার প্রকাশিত নথির মধ্যে রয়েছে প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠা, ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও।
নথিগুলোতে কী আছে
নতুন প্রকাশিত ফাইলগুলোতে রয়েছে—
কারাগারে থাকা অবস্থায় জেফরি এপস্টিনের মানসিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন
বন্দি অবস্থায় তার মৃত্যুর তথ্য
এপস্টিনের সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে তদন্তসংক্রান্ত নথি
(তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচারে সহায়তার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন)এপস্টিনের সঙ্গে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির ইমেইল যোগাযোগ
অনেক নথি ও ইমেইলই এক দশকের বেশি পুরোনো। এতে দেখা যায়, আইনি ঝামেলার মধ্যেও এপস্টিন কীভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।
