Type Here to Get Search Results !

গণভোটে হ্যাঁ-না বান্ডেল প্রশ্ন, অন্য অপশন নেই : সিইসি

স্টাফ রিপোর্টার সাদি

 স্টাফ রিপোর্টের সাদি

২৯ নভেম্বর

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রস্তুতি শুরু করেছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ/না’–এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত অপশন থাকছে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত মক ভোটিং পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি জানান, আজকের মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি আদর্শ ভোটকেন্দ্রের বাস্তব পরিবেশ কেমন হতে পারে—তা পর্যবেক্ষণ করা। ভোটারদের সারিবদ্ধ হওয়া, পোলিং অফিসার ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে সম্ভাব্য পরিস্থিতি—সবকিছুই কমিশন যাচাই করেছে।

নতুন ভোটারদের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকেরই ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। মক ভোটিং তাদের হাতে-কলমে ধারণা দিচ্ছে। এবার নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে হওয়ায় সময় ব্যবস্থাপনা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং কমিশন পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় নিজেদের সক্ষমতা পরিমাপ করছে।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের নিয়ম থাকলেও গণভোট যুক্ত হওয়ায় ৪২ হাজার ৫০০ পোলিং সেন্টার যথেষ্ট হবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

সিইসি বলেন, আজকের রিয়েল-টাইম মূল্যায়নের ভিত্তিতে বুথ বা কেন্দ্র বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা চাই না মানুষের কষ্ট হোক। সময় বেশি লাগলে বুথ বাড়ানো হবে। এতে জনবল, ব্যালট বাক্স, লজিস্টিক ও ব্যয় বাড়লেও কমিশন প্রয়োজনকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে।

ভোটকেন্দ্রে অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে সাংবাদিকদের দায়িত্ব শেষ করে দ্রুত বাইরে যেতে অনুরোধ করেন সিইসি। তিনি বলেন, এটি কোনোভাবেই সাংবাদিকতার কাজে বাধা নয়। পোলিং সেন্টারের ভেতর ভিড় তৈরি হলে ভোটগ্রহণ ব্যাহত হতে পারে—এটা প্রতিরোধ করতেই অনুরোধ করছি।

তিনি আরও বলেন, গণভোটে চারটি প্রশ্ন থাকলেও ভোট হবে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ এর ভিত্তিতে। আইন অনুযায়ী প্রশ্নগুলো একসঙ্গে বান্ডেল করা হয়েছে এবং পৃথক অপশন নেই, যা রাজনৈতিকভাবে নির্ধারিত।

About Us

সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি: ফয়সল আহমদ